জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম। প্রেম করে বিয়ের প্রলোভনে শারিরীক সম্পর্ক করেন ইডেন কলেজের শিউলি নামে এক ছাত্রীর সাথে। পরে বিয়ে করতে অনীহা প্রকাশ করলে শিউলি মামলা করেন। মামলা থেকে রক্ষা পেতে বাধ্য হয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর এনএসআই’র প্রভাবে স্ত্রীকে জেলে ভরে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, ফরিদপুরের মধুখালীর শিউলি খানম ইডেন কলেজের নিয়মিত ছাত্রী থাকাকালে ২০২০ সালে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করেন এক ব্যবসায়ীকে। পরে যৌতুকের চাহিদা মেটাতে না পারার কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। বিবাহ বিচ্ছেদের পর চার বছর গ্যাপ দিয়ে আবারো ইডেনে ভর্তি হন শিউলি। সে সময় তার সাথে সম্পর্কে জড়ান এনএসআই মাঠ কর্মকর্তা আশরাফুল। শিউলি তার অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনা তাকে অবহিত করেন। তবুও তিনি শিউলিকে বিয়ে করতে চান। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন হয়। কয়েক মাস পর শিউলি বিয়ের জন্য চাপ দিলে আশরাফুল বিয়ে করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। নিরুপায় হতে প্রতারণার শিকার শিউলি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। মামলার পর আশরাফুল শিউলিকে বিয়ে করেন পারিবারিক ভাবে। বিয়ের পর পর আশরাফুলের নামে দায়ের করা মামলা শিউলি প্রত্যাহার করেন। বিয়ের পর আশরাফুল ঢাকায় ফিরি গিয়ে এক সপ্তাহ পরে শিউলিকে ঢাকায় তলব করেন বাড়ি ভাড়া নিতে। শিউলি ঢাকায় গেলে পর দিন দুপুরে মতিঝিলের একটি রেস্টুরেন্টে দুপুরের খাবার খাচ্ছেন এসময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার কর ছাত্রলীগের নেত্রী ট্যাগ দিয়ে। পরে ছয় মাস জেল কেটে জামিনে মুক্ত হয়ে জানতে পারেন আশরাফুল তাকে তালাক দিয়ে আরেকটি বিয়ে করেন।শিউলির দাবি, বিয়ের পর বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথা বলে তাকে ঢাকায় নিয়ে আশরাফুল কৌশলে মিথ্যা ট্যাগ দিয়ে গ্রেফতার করিয়েছে।শিউলি জানান, আশরাফুল তাকে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করিয়েছে ছাত্রলীগের নেত্রীর ট্যাগ দিয়ে। ওই দিন মতাঝিলের রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়ার সময় আশরাফুলের মোবাইলে একটি কল আসে, তখন সে কথা বলতে বাইরে চলে যায়। পরে পুলিশ রেস্টুরেন্টের ভেতরে প্রবেশ করে তার টেবিলে গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর থানায় বা কারাগারে তাকে দেখতে বা জামিন করাতে যাননি আশরাফুল। শিউলির দাবি শুধুমাত্র মামলা থেকে মুক্তি পেতে আশরাফুল তার সাথে বিয়ের নাটক করেছেন। এখন প্রতিনিয়ত তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে শিউলি জানান, হলে থাকাকালে সরকার দলের মিছিলে না গেলে হল থেকে বের করে দিতো ও মারধর করতো নেত্রীরা। শুধুমাত্র হলে থাকার জন্য দুই একবার মিছিলে গেছেন। তবে কোনো কমিটির সদস্য তিনি নন। এনএসআই মাঠ কর্মকর্তা আশরাফুলের প্রতারণা, হুমকি ও মিথ্যা বিয়ে আর মিথ্যা ট্যাগ দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে কারাগারে প্রেরণ ইত্যাদি বিষয়ের প্রতিকার চেয়ে শিউলি সেনাবাহিনীর প্রধান সহ এনএসআই মহাপরিচালক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা যদি এমন নোংরামি করে তবে এই সংস্থ অচিরেই র্যাবের মতো পরিণতি ভোগ করবে। আশরাফুল ইসলামের মতো কর্মকর্তাদের কি বাহিনীতে খুব প্রয়োজন।
জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম। প্রেম করে বিয়ের প্রলোভনে শারিরীক সম্পর্ক করেন ইডেন কলেজের শিউলি নামে এক ছাত্রীর সাথে। পরে বিয়ে করতে অনীহা প্রকাশ করলে শিউলি মামলা করেন। মামলা থেকে রক্ষা পেতে বাধ্য হয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর এনএসআই’র প্রভাবে স্ত্রীকে জেলে ভরে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, ফরিদপুরের মধুখালীর শিউলি খানম ইডেন কলেজের নিয়মিত ছাত্রী থাকাকালে ২০২০ সালে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করেন এক ব্যবসায়ীকে। পরে যৌতুকের চাহিদা মেটাতে না পারার কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। বিবাহ বিচ্ছেদের পর চার বছর গ্যাপ দিয়ে আবারো ইডেনে ভর্তি হন শিউলি। সে সময় তার সাথে সম্পর্কে জড়ান এনএসআই মাঠ কর্মকর্তা আশরাফুল। শিউলি তার অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনা তাকে অবহিত করেন। তবুও তিনি শিউলিকে বিয়ে করতে চান। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন হয়। কয়েক মাস পর শিউলি বিয়ের জন্য চাপ দিলে আশরাফুল বিয়ে করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। নিরুপায় হতে প্রতারণার শিকার শিউলি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। মামলার পর আশরাফুল শিউলিকে বিয়ে করেন পারিবারিক ভাবে। বিয়ের পর পর আশরাফুলের নামে দায়ের করা মামলা শিউলি প্রত্যাহার করেন। বিয়ের পর আশরাফুল ঢাকায় ফিরি গিয়ে এক সপ্তাহ পরে শিউলিকে ঢাকায় তলব করেন বাড়ি ভাড়া নিতে। শিউলি ঢাকায় গেলে পর দিন দুপুরে মতিঝিলের একটি রেস্টুরেন্টে দুপুরের খাবার খাচ্ছেন এসময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার কর ছাত্রলীগের নেত্রী ট্যাগ দিয়ে। পরে ছয় মাস জেল কেটে জামিনে মুক্ত হয়ে জানতে পারেন আশরাফুল তাকে তালাক দিয়ে আরেকটি বিয়ে করেন।শিউলির দাবি, বিয়ের পর বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথা বলে তাকে ঢাকায় নিয়ে আশরাফুল কৌশলে মিথ্যা ট্যাগ দিয়ে গ্রেফতার করিয়েছে।শিউলি জানান, আশরাফুল তাকে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করিয়েছে ছাত্রলীগের নেত্রীর ট্যাগ দিয়ে। ওই দিন মতাঝিলের রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়ার সময় আশরাফুলের মোবাইলে একটি কল আসে, তখন সে কথা বলতে বাইরে চলে যায়। পরে পুলিশ রেস্টুরেন্টের ভেতরে প্রবেশ করে তার টেবিলে গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর থানায় বা কারাগারে তাকে দেখতে বা জামিন করাতে যাননি আশরাফুল। শিউলির দাবি শুধুমাত্র মামলা থেকে মুক্তি পেতে আশরাফুল তার সাথে বিয়ের নাটক করেছেন। এখন প্রতিনিয়ত তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে শিউলি জানান, হলে থাকাকালে সরকার দলের মিছিলে না গেলে হল থেকে বের করে দিতো ও মারধর করতো নেত্রীরা। শুধুমাত্র হলে থাকার জন্য দুই একবার মিছিলে গেছেন। তবে কোনো কমিটির সদস্য তিনি নন। এনএসআই মাঠ কর্মকর্তা আশরাফুলের প্রতারণা, হুমকি ও মিথ্যা বিয়ে আর মিথ্যা ট্যাগ দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে কারাগারে প্রেরণ ইত্যাদি বিষয়ের প্রতিকার চেয়ে শিউলি সেনাবাহিনীর প্রধান সহ এনএসআই মহাপরিচালক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা যদি এমন নোংরামি করে তবে এই সংস্থ অচিরেই র্যাবের মতো পরিণতি ভোগ করবে। আশরাফুল ইসলামের মতো কর্মকর্তাদের কি বাহিনীতে খুব প্রয়োজন।
